SEO’র জন্য জানা আবশ্যক গুগলের ২০০ র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর (আপডেটেড) সম্পূর্ণ বাংলায় | Google’s 200 Ranking Factors in Bangla | Part 1

অনলাইন দুনিয়ায় ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে ভাবতে গিয়ে বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজে আমরা সবাই কমবেশি শুনেছি গুগলের বহুল আলোচিত 200 Ranking Factors এর কথা। যদিও বলা হয়ে থাকে ২০০ র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর তবে এই ফ্যাক্টরগুলো আসলে মোট ২০৫ টি যার উপর ভিত্তি করে গুগলের এলগরিদম সিদ্ধান্ত নেয় কোন সাইটকে সে তার সার্চ ইঞ্জিনে কতটুকু প্রাধান্য দিবে। স্বাভাবিকভাবেই এই ফ্যাক্টরগুলো জানা থাকা একজন ডিজিটাল মার্কেটারের জন্য এবং SEO Expert এর জন্য আশীর্বাদস্বরুপ। আর এখানে আমি প্রকাশ করছি ২০১৭ সালের আপডেটেড Google 200 Ranking Factors Bangla যা সম্পুর্ন বাংলায় Market Rocker ব্লগে।

এই ২০৫ ফ্যাক্টরগুলোকে বেশ কয়েকটি Segment এ ভাগ করা হয়েছে। তাই আমিও সিদ্ধান্ত নিয়েছি সেগমেন্ট অনুযায়ী ভাগ করে তা নিয়ে লিখবো। তাই প্রথমেই Domain Factors নিয়ে লিখছি।

 

 

SEO'র জন্য বহুল আলোচিত গুগলের ২০০ র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর এই প্রথম সম্পূর্ণ বাংলায়

Google 200 ranking factors in Bangla

 

 

Google 200 Ranking Factors Bangla

 

 

Domain Factors

১. ডোমেইনের বয়সঃ গুগোলের কাছে কাছাকাছি বয়সের দুটি ডোমেইনের মাঝে র‍্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য নেই। ছয় মাস বয়সী ডোমেইন যা, বারোমাস বয়সী ডোমেইনও তা।

২. ডোমেইনের মাঝে Keyword থাকাঃ গুগলের ভাষ্য অনুযায়ী ডোমেইনের মাঝে কিওয়ার্ড থাকলেই তা আপনার র‍্যাংকিং এ খুব বেশি সাহায্য করবে এমনটা না। তবে ডোমেইনের মাঝে কিওয়ার্ড থাকলে তা আপনার সাইটের পরিচয় বহন করতে সক্ষম অবশই।

৩. ডোমেইনের প্রথম ওয়ার্ডটি সাইটের কি-ওয়ার্ড হিসেবে রাখাঃ সাইটের কিওয়ার্ড হিসেবে ডোমেইনের প্রথম শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৪. ডোমেইনের মেয়াদঃ আপনার ডোমেইনের মেয়াদ এবং মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ গুগোলের কাছে আপনার ডোমেইনের বিশ্বাসযোগ্যতা আর গ্রহণযোগ্যতা দুটোই রাখতে সাহায্য করে। আপনার ডোমেইনের মেয়াদ আর কেবল একবছর আছে (এক্সপাইরেশন ডেট অনুযায়ী) আর একই নিশে কেউ একজন ৫ বছরের জন্য ডোমেইন কিনে রাখলো যার মেয়াদ এখনো কয়েকবছর বাকি আছে – তার সাইটকে গুগল নিশ্চয়ই আপনার সাইট থেকে বেশি ভ্যালু দিবে।

৫. কিওয়ার্ড সমৃদ্ধ Sub-domain থাকাঃ সাবডোমেইনের মধ্যে কিওয়ার্ড থাকলে তা আপনার পেজকে র‍্যাঙ্ক করার জন্য কাজে দিবে। এক্ষেত্রে MOZ নিজেও সম্মতি জানিয়েছে

৬. ডোমেইনের পূর্ববর্তী ইতিহাসঃ আপনার ডোমেইন আপনার আগে কেউ ব্যাবহার করেছিলো কি না আর করে থাকলে তার অধীনে ডোমেইনের রেপুটেশন কেমন ছিলো, স্প্যাম হিসেবে এই ডোমেইন গুগোলের কাছে পরিচিত কি না, এসব তথ্যও গুগল লক্ষ্য করে। এবং Whois ডাটা থেকে যদি গুগল দেখে যে এই ডোমেইনের মালিক পরিবর্তিত হচ্ছে তবে গুগল চাইলে সেই ডোমেইনের থাকা সকল ব্যাকলিংক রিসেট করতে পারে।

৭. EMD বা এক্সাক্ট ম্যাচ ডোমেইনঃ কিওয়ার্ডের সাথে যদি ডোমেইনের নামের সাথে এক্সাক্ট ম্যাচ করে তবে তা গুগোলের কাছে অনেক গ্রহণযোগ্য। তবে অবশ্যই সাইটকে হাই কোয়ালিটি হতে হবে। লো কোয়ালিটি হলে চলবে না।

৮. পাবলিক Whois বনাম প্রাইভেট Whois প্রাইভেসিঃ ডোমেইনের Whois প্রাইভেসি প্রাইভেট থাকাটা গুগলের পছন্দ না। সেক্ষেত্রে প্রাইভেসি পাবলিক থাকলে গুগল সেই সাইটকে এই এলগরিদমের ভিত্তিতে একটু বেশিই মূল্যায়ন করবে।

৯. পেনালাইজড হুইজ ওউনারঃ যদি কোনো লোকের নামে কোনো একটা সাইট স্প্যাম হিসেবে গুগলের কাছে স্বীকৃতি পায় তবে ঐ লোকের বাকি সাইটগুলোকেও গুগল নিখুঁতভাবে খুটিয়ে দেখে এবং সেগুলোর কোনোটিতেও যদি কোনো আনইউজুয়াল স্প্যামিং ধরা পড়ে তবে তার সেই সাইটের চাট্টি-বাট্টিও গুগল গোল করে দেয়!

১০. ডোমেইনের কান্ট্রি TLD এক্সটেনশনঃ ডোমেইনে কান্ট্রি কোড থাকলে তা স্ব স্ব দেশে র‍্যাংক করতে সাহায্য করবে তবে গ্লোবালি র‍্যাংক করতে বেগ পেতে হবে। (তা নয়ত কান্ট্রি কোডের স্পেশালিটি বলে কিছু তো থাকবে না, নাকি!)

 

Google 200 Ranking Factors Bangla

 

Page-Level Factors

 

 

Page-Level Factors | Google 200 Ranking Factors Bangla

 

১১. টাইটেল ট্যাগের মাঝে Keyword থাকাঃ Title Tag হচ্ছে কোনো ওয়েবপেজের কন্টেন্টের মধ্যে থাকা দ্বিতীয় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা On-page SEO’র জন্য অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।

১২. টাইটেল ট্যাগের শুরুটা Keyword দিয়ে হওয়াঃ MOZ এর তথ্য অনুসারে, টাইটেল ট্যাগের শেষে কিওয়ার্ড থাকার চেয়ে শুরুতে কিওয়ার্ড থাকলে তা অনেক বেশি কাজে দেয়।

১৩. Description ট্যাগে কিওয়ার্ড থাকাঃ এটা খুব বেশি স্পেশালিটি বহন যদিও করেনা তবু গুগল এটাকে কিছুটা হলেও কাউন্ট করে।

১৪. H1 ট্যাগে কিওয়ার্ড থাকাঃ H1 ট্যাগকে বলা হয় second title tag. এটাও গুগলকে বুঝতে সাহায্য করে যে আপনার কিওয়ার্ডের সাথে এই পেজ কতটুকু রিলেভেন্ট।

১৫. পেজের কন্টেন্টে কিওয়ার্ডের বেশ কয়েকবার ব্যাবহার হওয়াঃ পেজের কন্টেন্টে কিওয়ার্ডের ডেনসিটি ভালো থাকলে তা গুগলকে বুঝতে সাহায্য করে যে এখানে কিওয়ার্ডের রিলেভেন্ট তথ্য আছে। তাই গুগল এই পেজ আর কন্টেন্টকে অনেক গুরুত্ব দেয়।

১৬. কন্টেন্টের দৈর্ঘ্যঃ SERPIQ এর তথ্য মতে যে কন্টেন্টগুলো বেশি বেশি ওয়ার্ড দিয়ে সমৃদ্ধশালী অর্থাৎ কন্টেন্ট লেংথ বড় সেসব কন্টেন্টের পেজ SERP তে অর্থাৎ Search engines result page এ দ্রুত র‍্যাংক করে।

১৭. কিওয়ার্ড ডেনসিটিঃ একসময় এতা খুব ইম্পর্ট্যান্ট ছিলো তবে এখন ততটা না। তবু মাঝে মাঝে গুগল এটাকে একটু কাউন্ট করে যখন সে কোনো ওয়েবপেজের কন্টেন্টের টপিকটা কি সেটা বুঝতে চেষ্টা করে।

১৮. কন্টেন্টে LSI বা Latent Semantic Indexing কিওয়ার্ডস থাকাঃ LSI কিওয়ার্ড একইশব্দের অনেকগুলো মিনিং এর ভেতর থেকে সঠিক ও কাঙ্ক্ষিত মিনিংটি বেছে নিতে সাহায্য করে। যেমন Apple শব্দের মানে আপেল ফল আবার এটা একটা সুপরিচিত কোম্পানি। কন্টেন্টে LSI কি-ওয়ার্ড থাকা না থাকাটা কন্টেন্টের কোয়ালিটিকে মূল্যায়ন করে।

১৯. টাইটেল এবং ডেসক্রিপশন ট্যাগে LSI কিওয়ার্ড থাকাঃ মেটা ট্যাগে LSI কিওয়ার্ড থাকলে তা গুগলকে বুঝতে সাহায্য করে যে এই কন্টেন্টের সিনোনিয়ামগুলো কি কি। তবেই না আপনার কিওয়ার্ডের সমার্থক কোনো শব্দ দিয়েও কেউ সার্চ করলে আর গুগল যদি মনে করে সেই সার্চকৃত ব্যাক্তিটি আপনার ওয়েবপেজের কন্টেন্ট খুঁজতে চেষ্টা করছে বা আপনার পেজের কন্টেন্ট তার কাজে আসবে তখন গুগল আপনার ওয়েবপেজকে তার সামনে সাজেশন রেজাল্ট হিসেবে প্রদর্শন করে।

২০. HTML এর মাধ্যমে পেজের লোডিং স্পীডঃ গুগল এবং বিং দুটা সার্চ ইঞ্জিনই সার্চ রেজাল্টে পেজের র‍্যাংকিংএর জন্য ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীডকে কাউন্ট করে। এটা তাদের হিসেবে একটা র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর।

২১. ডুপ্লিকেট কন্টেন্টঃ একই সাইটের একাধিক পেজে যদি কন্টেন্টের মিল/ কপিপেস্ট করা থাকে তবে তা গুগলের সার্চ রেজাল্টে ওই সাইটের ওপর নেগেটিভ প্রভাব আনতে পারে।

২২. Rel=Canonical ট্যাগঃ এটা একপ্রকারভাবে বলা যায় ২১ নাম্বার এর কিছুটা সমাধান! এই ট্যাগের ব্যাবহার গুগলকে অনুরোধ জানাবে ওই পেজের কন্টেন্টগুলোকে কপি কন্টেন্ট হিসেবে বিবেচনায় না নেয়ার জন্য।

 

 

এই ফাঁকে চলেন Rel=Canonical ট্যাগ সম্পর্কে কিছু পড়াশোনা করে নিই 😉

Rel=Canonical ট্যাগ কি?

 

সহজ কথায়, এই ট্যাগের মানে হচ্ছে গুগলকে বলে দেয়া যে, সার্চ রেজাল্ট হিসেবে, উক্ত নির্দিস্ট দুটি URL একটি অন্যটির পরিপূরক। ধরি, URL B হচ্ছে URL A এর ডুপ্লিকেট। তাহলে URL B এর পেজের <head></head> ট্যাগের মাঝে এই Rel=Canonical ট্যাগ যুক্ত করতে হবে এইভাবে-

 

<link rel=”canonical” href=”http://www.example.com/url-a.html” />

 

 

২৩. Google Chrome ব্রাউজারে পেজের লোডিং স্পীডঃ গুগল ক্রোম- ব্রাউজারে গুগল ইউজারের ডাটা ব্যাবহার করে ওয়েবপেজের লোডিং স্পীড এনালাইসিস করতে পারে। তাই ক্রোম ব্রাউজারে ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড একটি গুরুত্বপূর্ন ফ্যাক্টর।

 

২৪. ইমেজ অপটিমাইজেশনঃ সাইটের ইমেজগুলো কতটা অপটিমাইজড সেটাও গুরুত্বপূর্ন। যেমন আপনার পেজের ইমেজগুলো সার্চ ইঞ্জিনে যে তথ্যগুলোর মাধ্যমে রিলেভেন্সি সিগন্যাল পাঠায় সেগুলো দেয়া। অর্থাৎ ইমেজ ফাইলের নাম, ইমেজ অল্টার টেক্সট, ইমেজ টাইটেল, ইমেজ ডেসক্রিপশন, এবং ইমেজ ক্যাপশন। প্রতিটা ইমেজের এগুলো থাকা উচিত।

 

২৫. সময়ের সাথে সাথে কন্টেন্টের নতুনত্বতাঃ গুগলে যখন আপনি সার্চ দেন আর সার্চ রেজাল্ট আসে আপনি দেখবেন প্রায় প্রতিটা পেজের লাস্ট আপডেট টাইম গুগল শো করে। তারমানে আপনি কোনো একটা টপিকে লিখে গেলেন আর অনেকদিন পরেও তার কোনো আপডেট করেননি এক্ষেত্রে গুগল আপনার কন্টেন্টকে তুলনামূলক কম প্রায়োরিটি দিয়ে থাকে।

 

২৬. কনটেন্ট আপডেটের অধিকতাঃ আগের ফ্যাক্টরে জেনেছেন সময়ের সাথে কন্টেন্টের আপডেট করা উচিত। তবে আপডেট করার ধরণ হিসেবে গুগল আলাদাভাবে প্রায়োরিটি দেয়। যেমন আপনি কিছু কিছু শব্দ আপডেট করলেন বা একটু রি-এরেঞ্জ করলেন। সেটা যতটা না ইফেক্টিভ তারচে যদি আপনি এমন কিছু আপডেট করেন যা ঐ কন্টেন্টে আরো কিছু ভ্যালু দিবে সেটা আরো ইফেক্টিভ হবে।

 

২৭. আপডেট শিডিউলঃ আপনি কনটেন্ট আপডেট করছেন ভালো। তবে সেটা ফ্রিকোয়েন্টলি করছেন কি না সেটা একটা ফ্যাক্টর। আপনি যদি সাপ্তাহিক, মাসিক ভিত্তিতে আপডেট করতে পারেন সেটা ভালো। সোজা কথা কনটেন্টের ধরণ এবং প্রয়োজন বুঝে আপডেট করতে গাফেলতি না করা ই ভালো। সময়ে সময়ে করে ফেলবেন।

 

২৮. কিওয়ার্ডের প্রাধান্যতাঃ আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ড আপনার পেজের কন্টেন্টের প্রথম ১০০ শব্দের ভেতর কোথাও রাখতে পারলে তা আপনার ঐ পেজ সম্পর্কে গুগলের কাছে রিলেভেন্সি সিগন্যাল দেয়।

 

২৯. H2, H3 ট্যাগে কিওয়ার্ডের ব্যাবহারঃ আপনার কিওয়ার্ড যদি সাবহেডিং হিসেবে H2 এবং H3 ট্যাগে ব্যাবহার হয় তবে তা গুগলের কাছে আরো একবার আপনার কন্টেন্টের রিলেভেন্সি সিগন্যাল পাঠায় গুগলের কাছে।

 

৩০. কিওয়ার্ডের জন্য সঠিক শব্দচয়নঃ একই শব্দ দিয়ে সজ্জিত একটা অগোছালো কিওয়ার্ডের চেয়ে একটা এক্সাক্ট ম্যাচড কিওয়ার্ড অবশ্যই ভালো র‍্যাঙ্ক করবে। যেমন দেখেন, আপনি গুগলে সার্চ করলেন ”Bangla digital marketing blog”  এক্ষেত্রে যে পেজটি এই কিওয়ার্ডের জন্য সবচাইতে ভালোভাবে অপটিমাইজড করা আছে সে পেজটিই ভালো র‍্যাঙ্ক করবে। অন্য পেজ যে কিনা সেম কিওয়ার্ড দিয়ে কাজ করেছেন কিন্তু এক্সাক্ট ম্যাচড না যেমন Top digital marketing blog in Bnagla – সেই পেজ ওই কিওয়ার্ডে ভালো র‍্যাঙ্ক করবেনা। এজন্যই বুঝা যায় Keyword research কতটা গুরুত্বপূর্ন ডিজিতাল মার্কেটিং/ SEO’র জন্য।

 

৩১. আউটবাউন্ড লিংক কোয়ালিটিঃ অনেক সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজার মনে করেন অন্যন্য অথরিটি সাইটকে আউটবাউন্ড লিংক দিলে তা গুগলের কাছে ট্রাস্ট সিগন্যাল পাঠাতে সাহায্য করে।

 

৩২. আউটবাউন্ড লিংক পাঠানোর থিমঃ Moz এর গবেষণা অনুসারে এটা পাওয়া গেছে যে, আপনি রিলিভেন্সি সিগন্যাল পাঠাতে আপনার ওয়েবে যে ওয়েবপেজগুলোকে লিংক করবেন, সার্চ ইঞ্জিন সেই ওয়েবপেজের কন্টেন্টগুলোকে রিড করে। ধরুন আপনার একটা ”গাড়ী” বিষয়ক ওয়েবসাইট আছে এবং তাতে আপনি মুভি/সিনেমা বিষয়ক কিছু সাইটকে লিঙ্ক করলেন। এতে সমূহ সম্ভাবনা থাকে আপনার পেজটিকে গুগল অটোমোবাইল বিষয়ক পেজ হিসেবে না ভেবে মুভি কার/ সিনেমা কার হিসেবে মূল্যায়ন করবে।

 

৩৩. গ্রামার এবং স্পেলিংঃ আপনার সাইটের কন্টেন্টের গ্রামার বিষয়ক ত্রুটি এবং স্পেলিং ভুল যত কম হবে ততই তা সহায়তা করবে কন্টেন্ট র‍্যাংকিং এর জন্য।

 

৩৪. সিন্ডিকেটেড কন্টেন্টঃ আপনার পেজের কন্টেন্টগুলো কি অরিজিনাল? সতর্ক থাকুন এবং অন্যের কন্টেন্ট কপি করা থেকে বিরত থাকুন। অন্যের কন্টেন্ট কপি করলেও যার অরিজিনাল কন্টেন্ট, আপনি তাকে পেছনে ফেলে গুগলের কাছে এগিয়ে যেতে পারবেন না।

 

৩৫. হেল্পফুল সাপ্লিমেন্টারি কন্টেন্টসঃ আপনার পেজের মূল তথ্যের পাশাপাশি আপনি আপনার পেজে ভিজিটরদের আর কি কি ভাবে তথ্য দিয়ে সহায়তা করছেন এটাও গুগল খেয়াল রাখে। পরিপূরক তথ্য সংবলিত কন্টেন্ট আপনার পেজের কোয়ালিটিকে বাড়াবে পাশাপাশি গুগলের কাছেও ভালো সিগন্যাল পাঠাবে।

 

৩৬. আউটবাউন্ড লিংকের সংখ্যাঃ অতিরিক্ত আউটবাউন্ড লিংক আপনার পেজের পেজর‍্যাংক কমিয়ে নিতে পারে। বিশেষ করে DOfollow OBL.

 

৩৭. মাল্টিমিডিয়াঃ আপনার পেজের ইমেজ-ভিডিও-অডিও কন্টেন্ট থেকে থাকলে সেগুলোর কোয়ালিটির দিকেও যথাযথ নজর দিন। কারণ এই মাল্টিমিডিয়া এলিমেন্টগুলোকেও গুগল কোয়ালিটি চেক করে তার সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাংক করার জন্য।

 

৩৮. ইন্টার্নাল লিংক এর সংখ্যাঃ আপনার সাইটের ইন্টার্নাল লিংকের সংখ্যা এটা বুঝায় যে যেসব পেজ থেকে আপনি ইন্টার্নাল লিংক করেছেন সেসব পেজগুলোর মধ্যে কন্টেন্টের রিলেভেন্সি কতটুকু আছে তার একটা ধারণা সে গুগলকে দেয়।

 

৩৯. ইন্টার্নাল লিংকের কোয়ালিটিঃ অথরিটি পেজ থেকে বা হাই PR পেজ থেকে ইন্টার্নাল লিংক নিলে তা অনেক ফলপ্রসু হয় লো PR পেজ বা নন রেপুটেড পেজের তুলনায়।

 

৪০. ব্রোকেন লিংকসঃ একটা পেজে একাধিক ব্রোকেন লিংক থাকা মানে গুগল ভেবে নিবে আপনি আপনার সাইটের সঠিক নার্সিং করছেন না। এতে আপনার পেজ/ ওয়েবসাইটের মান গুগলের কাছে কমে যাবে। আপনার হোমপেজের কোয়ালিটি চেক করতেও গুগল আপনার সাইটের ব্রোকেন লিংকস কে ফ্যাক্ট হিসেবে নেয়।

 

*** পার্ট ১ – ডোমেইন ফ্যাক্টরস এবং পেজ লেভেল ফ্যাক্টরস এর প্রথম অংশ। পার্ট ২ তে লিখবো পেজ লেভেল ফ্যাক্টরস বাকি অংশ। ***

Google 200 Ranking Factors Bangla

 

[MarketRocker এর আর্টিকেলগুলো ভালো লাগলে শেয়ার করুন অন্যদের সাথে। নতুন কি বিষয়ে আর্টিকেল পেতে চান জানিয়ে নিচে কমেন্ট করলে চেষ্টা করবো তা নিয়ে লিখতে। এই ব্লগ কারো জানার আগ্রহ, ইচ্ছা- জাগ্রত করলে এবং তার কিছুটাও মেটাতে পারলে এই চেষ্টা সার্থক হবে। আপনার জন্য শুভকামনা! হয়ে উঠুন একজন সফল মার্কেট রকার, আপনিও]

 

8

Comments

comments

M M Rizvi Khan

About the Author

M M Rizvi Khan

ফুলফিলমেন্ট বাই আমাজন (FBA) নিয়ে রিসার্চ করছি ২০১৬ এর শুরু থেকে। দীর্ঘ অনলাইন জীবনে কাজ করার নানা রকম বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা আছে। বর্তমানে Amazon FBA'র পাশাপাশি বাংলাদেশে ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি। এছাড়াও লেদার ওয়ালেট, বেল্ট ও এক্সেসরিজের জন্য নিজের ব্র্যান্ড নিয়ে কাজ করছি।

Enjoy this blog? Please spread the word :)

error: Content is protected